সর্বশেষ সংযুক্তি
সুত্রপাত / রাজনীতি / যেই বিড়ালে ইঁদুর মারে গোঁফ দেখলেই বোঝা যায়

যেই বিড়ালে ইঁদুর মারে গোঁফ দেখলেই বোঝা যায়

মোমিন মেহেদী:

ড. কামাল হোসেন। আমার অত্যান্ত ভালোবাসার-শ্রদ্ধার মানুষ। তাঁর সাথে রয়েছেন নতুন এক চেষ্টায় যুক্ত আ ব ম মোস্তফা আমিন। পরে এসে সর্বোচ্চ চেষ্টায় আন্তরিকতায় আবারো ঘুরে দাঁড়াবার জন্য নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলার চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলক আ স ম রব। ভালোবাসা সবসময়, শ্রদ্ধাও সবসময়। কেননা, নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বরাবরই আমি জানি যে, যদি তারা রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত না হতেন, তাহলে এখনো তাদের ডাকে কোটি জনতা ঐক্যবদ্ধ থাকতো সবসময়। আজ যদিও সেই জনপ্রিয়তায় একটু ঘাটতি আছে, কিন্তু তাই বলে ইতিহাস সত্যের পথেই আছে। আর একারণেই যার যতটুকু সম্মান তাঁর প্রতি ততটুকু প্রদর্শন করে বলছি- ‘যেই বিড়ালে ইঁদুর মারে গোঁফ দেখলেই বোঝা যায়…’৤ যে কারণে বারবার আমন্ত্রণ পেলেও নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম বোর্ড, কার্যনির্বাহী কমিটি সহ সকল স্তরের নেতাকর্মীরা ‘না’ বলেছে। যে কারণে ঐক্য পক্রিয়ায় আমাদের যাওয়া হয়নি। আমরা জানি, নতুন প্রজন্ম জানে সত্যিকারের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে লড়তে রাজি ড. কামাল, আ স ম রব বা মোস্তফা আমিন সহ ঐক্য পক্রিয়ার অনেকেই। কিন্তুু এর মধ্যে যে ভূত ঢুকেছে, তা অনুমান করেছি আগে। যে কারণে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি এবং আমি একটু দূরত্বই রেখেছি ঐক্য পক্রিয়া নামক অনৈক্য প্রক্রিয়ার কাছ থেকে। তাঁর উদাহরণ গত একমাসের বিভিন্ন পক্রিকাতে আছে। আমি প্রায়ই বলেছি- ঐক্যের নামে অনৈক্য প্রক্রিয়া করবেন না। আজ সেই কাজটিই হতে চলেছে। যদিও ঐক্য পক্রিয়ার পাশাপাশি স্বয়ং আওয়ামী লীগের ভেতরেই চলছে মারামারি-কাটাকাটি। তবু বলতেই হবে যে, যদি ঐক্য থাকতে না পারেন, সুস্থ্য থাকতে না পারেন, নতুন নতুন এত প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হন কেন?

ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে যখন এই লেখাটি লিখছি, তখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম-এ দেখলাম একটি সংবাদ। যা আমাকে রীতিমত আশাহত করেছে। আর তা হলো- একাদশ সংসদ নিবার্চন সামনে রেখে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূতর্ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পথসভার মঞ্চ ভাঙচুর করেছে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকমীর্রা। ফটিকছড়ির আজাদী বাজার ও নাজিরহাট ঝংকার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একাদশ সংসদ নিবার্চন সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূতর্ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফটিকছড়ি উপজেলার আজাদী বাজার, নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড়, ফটিকছড়ি পৌরসভার (বিবিরহাট) ভূজপুর কাজিরহাট, ও হেঁয়াকো বাজারে এ পথসভা করার কথা ছিল। পথসভা শুরুর কিছু আগে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন কমীর্ আজাদী বাজার, নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড়ে পথসভার জন্য তৈরি মঞ্চে ভাঙচুর চালায়। আজাদী বাজারে মোশাররফ হোসেনের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে তিনি বক্তব্য না দিয়েই সভাস্থল ত্যাগ করেন। তবে নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড়ে পথসভায় তিনি বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী বলেন, ‘পথসভার কমর্সূচিতে মন্ত্রী সাহেব যোগদান করার আগে কিছু যুবক ঝংকার ও আজাদী বাজারের পথসভা মঞ্চ ভাঙচুর করেছে। কারা ঘটনা ঘটিয়েছে এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।’ উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের বতর্মান এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তার ছেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রুহেলকে মিরসরাই আসন ছেড়ে দিয়ে নিজে ফটিকছড়ি থেকে নৌকা প্রতীকে নিবার্চন করার আশা প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকমীের্দর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পূতর্মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ছাড়াও ফটিকছড়ি থেকে আওয়ামী লীগের নুরুল আলম চৌধুরী, এম তৌহিদুল আলম বাবু, এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও ফখরুল আনোয়ার প্রাথীর্ হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।’

এই যখন নিকৃষ্টতর রাজনৈতিক পরিবেশ। তখন আবার বিএনপি-বিকল্পধারা রেষারেষিতে ঐক্যের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলে সংবাদ শিরোনাম হলে সত্যিকার্থেই দেশটা যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তাঁর প্রমাণ পাই। একটা ছোট্ট আলো নিভু নিভু করে জ্বলছিলো দেখে ভালো লাগছিলো, সেই ভালোলাগায় ছাই ঢেলে দিলো এমন একটা অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে জাতীয় ঐক্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একের পর এক শর্তারোপের কারণে বিকল্পধারার বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে বিএনপিতে। দলের সিনিয়র নেতারা এই দলটির বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা না বললেও প্রয়োজনে বিকল্পধারাকে বাদ দিয়েই ঐক্য প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার দাবি উঠেছে বিএনপির অভ্যন্তরে। পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের শরিক ২/১টি দলও নাখোশ বিকল্পধারার কমর্কা-ে। সব মিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে অবাস্তবায়নযোগ্য শতার্রোপ থেকে বিকল্পধারা পিছু না হটলে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে এই দলটিকে বাদ দেয়ার দাবি জানাতে পারে বিএনপি। অবশ্য সেপ্টেম্বরে যে নাগরিক সমাবেশের ব্যানারে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের সম্মেলন হয়। এতে ৫ দফা দাবি জানানো হয় সরকারের উদ্দেশ্যে। আর এই দাবির সঙ্গে মিল রেখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করে বিএনপি। সঙ্গত কারণে বৃহত্তর ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও এই প্রক্রিয়ায় বিএনপিকে শতের্র উপর শতর্ আরোপ করে বিষয়টি অনিশ্চিয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বিকল্পধারা।

যুক্তফন্টের প্রধান দল বিকল্পধারা বাংলাদেশের তরফ থেকে বিএনপির কাছে সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫০টি দাবি করেন মাহী বি. চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি শতর্ দিয়েছেন, প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত এবং পরোক্ষ বিরোধীদের কাউকেই জাতীয় ঐক্যে নেবে না তার ফ্রন্ট। ঐক্যে আসতে হলে ২০ দলীয় জোটের প্রধান বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পকর্ ছিন্ন করতে হবে। বিএনপিসহ ২০ দলের প্রতি কঠিন সব দাবি-দাওয়া ও শতর্ দেয়ায় রাজনীতিক অঙ্গনে আলোচনা আছে, মাহী বি. চৌধুরীর ইচ্ছাই গুরুত্ব পাচ্ছে বিকল্পধারায়। সঙ্গত কারণে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের শরিক কয়েকটি দলের বিকল্প ধারার ওপর ক্ষুব্ধ । বিএনপির সিনিয়র এক নেতা এরই মধ্যে না কি বলেছে, জাতীয় এক্য গঠনে বিএনপিই সবচেয়ে বেশি আন্তরিক। এর প্রমাণও নানাভাবে বিএনপি দিয়েছে। ভোটের মাঠে নিয়ামক শক্তি নয় এমন দলের নেতাকে ঐক্যের নেতা মানতে দ্বিধ্বা করেনি তারা। এরপরেও একের পর এক অবাস্তবায়নযোগ্য দাবি এবং শতর্ সামনে আসায় বিএনপির উচ্চপযাের্য় সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আর তৃণমূলে শুরু থেকেই নামসবর্স্ব দলগুলোকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দেয়ায় তারা ক্ষুব্ধ ছিল। এরপরেও অন্যায় আবদারের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় দলের প্রায় সব পযাের্য় দাবি উঠেছে, বিকল্প ধারায় আসলে কি চায় তা খতিয়ে দেখতে এবং প্রয়োজনে এই দলটিকে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে। দলের নেতাকমীের্দর ক্ষোভের বিষয়টি আর প্রকাশ্যে আসে সেপ্টেম্বরের শেষদিন সোহরাওয়াদীর্ উদ্যানে বিএনপির জনসভায়। এত দেনদরবার করে ঐক্য প্রক্রিয়ার একটি পযাের্য় নেয়ার পর দলের নীতি নিধার্রণী ফোরাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন পযাের্য়র নেতারা প্রয়োজনে একা পথ চলার ঘোষণা দেন। জনসভায় দেয়া বক্তৃতায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মিজার্ আব্বাস বলেন, ঐক্য হলে ভালো, না হলে ক্ষতি নেই; বিএনপি একাই আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

তবে বলে রাখা ভালো যে, নিবার্চনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবাই যার যার স্বার্থরক্ষার জন্য কাজ করবে এ বিষয়টি মাথায় রেখে সরকারবিরোধী বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখার জন্য ছোট অংশীজনদের সবোর্চ্চ ছাড় দেয়ার চিন্তাভাবনা বিএনপির এখনও আছে। এখনও দূরত্ব রেখে চলা আরও কয়েকটি দল বৃহত্তর এই জোটে যোগ দেবে বলে বিএনপির নেতারা মনে করেন। তবে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দল বিকল্পধারা বাংলাদেশ নিয়ে বিএনপি সন্দেহমুক্ত নয়। বিএনপির শীষর্ নেতাদের কেউ কেউ মনে করেন, বি চৌধুরীর ব্যক্তিগত ও দলীয় চাওয়া-পাওয়াকে কেন্দ্র করে শেষ পযর্ন্ত বৃহত্তর এই রাজনৈতিক জোটে ধাক্কা লাগতে পারে। কারণ, বি চৌধুরীর দল বিকল্পধারা সরকারবিরোধী জোটের পাশাপাশি সরকারি জোটের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন বলে বিএনপি নেতারা মনে করেন। বিকল্পধারা শতর্গুলোর বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বিএনপিতে। ভোটের মাঠে জামায়াতের সাড়ে সাতভাগ ভোট থাকার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। অথচ জামায়াতকে যারা মঞ্চে তুলতে চায় না তাদের ভোট এক শতাংশেরও কম। দলের নীতি নিধার্রকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, শেষ পযর্ন্ত বি চৌধুরী বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে নাও থাকতে পারেন। তাই ড. কামাল হোসেনকে প্রধান ধরেই এগোচ্ছে এই ঐক্য প্রক্রিয়া। আর এভাবে বিড়াল যদি ঈঁদুর না মেরে নিজেই নিজের মধ্যে ভয়ে জড়সড় থাকে, তাহলে লক্ষ্যে তো পৌছতে পারবেই না, বরং অন্ধকারে হারিয়ে যাবে বিএনপি, ঐক্য প্রক্রিয়ার পাশাপাশি। কেন যেন মনে হচ্ছে- বিকল্পধারার শর্তারোপের রাজনীতিতে বিএনপির পাশাপাশি ক্ষুব্ধ ২০ দলীয় জোটের শরিক কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। বিশেষ করে জামায়াত ও এলডিপি। জামায়াত কৌশলগত কারণে প্রাকাশ্যে কোনো কথা না বললেও বিকল্পধারার অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির সভাপতি কনের্ল (অব.) অলি আহমদ। তিনি বলেছেন, বি চৌধুরী জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করেছেন, রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তখন ভালো ছিল, এখন খারাপ হলো কেন? মাহী বি চৌধুরীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করছেন আবার সরকারবিরোধী মঞ্চেও আছেন- এ কেমন অবস্থান? বি চৌধুরী তার ছেলে (মাহী) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তাই তার নেতৃত্বে সরকার বিরোধী আন্দোলন হবে এমনটা আশা করা যায় না। বিএনপি ও ২০ দলের কয়েকটি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিকল্পধারার বতর্মান অবস্থানে ক্ষোভ আছে যুক্তফ্রন্টেও।

নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে, বয়সে অনেকের চেয়ে ছোট হিসেবে একটি কথা বলে রাখছি- এই প্রক্রিয়ায় আছেন, এমন অনেকেই বিকল্পধারার চালচলন পযের্বক্ষণ করছেন। তারা যেসব দাবি ও শতর্ দিয়েছে তাতে কোনোদিনই ঐক্য হবে না। আর ঐক্য না হলে সরকারের পতনও ঘটবে না। শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিকল্পধারা শেষ পযর্ন্ত যুক্তফ্রন্ট থেকে ছিটকে পড়তে পারে। ভাঙতে পারে ফ্রন্টও।
আর তাই আমি, আমরা কোনভাবেই ঐক্য প্রক্রিয়ার মত অবিরত বোকামী করে চলা লোভী-লম্পট বেষ্টিত কোন চেষ্টার সাথে নেই, থাকবোও না। তবে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকারের রাজনতিক কর্মীকে চায়। যদি এ,ন কেউ আসেন, নিজেদের চেয়ার আর হালুয়া রুটির ভাগাভাগি না চেয়ে এগিয়ে যাবেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে। নতুন প্রজন্ম তাদেরকে সর্বোচ্চ চেষ্টায় অগ্রণী দেখতে তৈরি থাকবে বলে আমি বিশ্বাসী…

লেখক: চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি।

শেয়ার করুন
  • 3
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!