সর্বশেষ সংযুক্তি
সুত্রপাত / কবিতা / বৈশ্বিক প্রজাপতি ও প্রেম

বৈশ্বিক প্রজাপতি ও প্রেম

কায়েস সৈয়দঃ

সিঁথির দুপাশে মৃত অরণ্যের হাতছানি
অজুহাতে দুহাতে স্পর্শ করতেই
বয়ে গেল বিশ্বায়নের বৈশ্বিক বাতাস

বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড
ঠোঁটের আঙ্গিনায়
প্রশ্বাসের ছোঁয়া পেতেই
গলতে লাগলো গুরুগম্ভীর বৈশ্বিক বরফ

ঘোর অমানিশা চোখের বারান্দায়
অশ্রু পেয়ালায় চুমু দিতেই
উড়তে লাগলো বহুব্রীহি বৈশ্বিক প্রজাপ্রতি

থৈ থৈ জল
কাঠফাঁটা রোদ
আবার বিরাণ ভূমি

সুন্দরবন

হরিণীচোখে অরণ্য মাতিয়ে প্রজাপতিডানায় ছড়িয়ে দেয় সবুজ স্বপ্নের ওহম। আবদার মেটানোটাই অবদানের প্রাপ্তি। বাঘের মুখোশের জন্য এক সময় কেঁদেছিলাম। সে রাতেই মুখোশ এনে পড়িয়ে দিয়ে শোনায় ঐতিহ্য ও অষ্ট্রিকগল্প। দুর্মৃত্যু দূরে পালায় ওর ভয়ে। ভুবন-শঙ্খ আর গাঙচিলের ছায়ায় আগলে রাখে সম্পর্কের অস্তিত্ব। এ অস্তিত্ব অবহেলা করে কী করে বাঁচবো! আমাদের বোন। খুব সুন্দর। আদর করে ডাকতাম সুন্দরবন।

প্রেম

শব্দগুলো শুধুই আপেক্ষিক
রাগ অনুরাগ বিরাগ
মুমূর্ষু মুহূর্তও অতিমাত্রীয় জেদের কাছে হার মানলে
অঙ্কিত হয় প্রেমের প্রকৃত-স্কেচ
সেবার জীবনাননন্দ মেলায় প্রথম পরিচয়েই
ঘটনার অপ্রাসঙ্গিকতায় কেঁদেছিলাম
আজ প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটকেও
প্রহসন মনে হয়Ñকান্নাতো মেঘের যাত্রী
তুমি কাউকে চাইতে
আমিও
তবু দুজনই একা
প্রত্যেকের ভাঙা অনুভবগুলো
মহাজাগতিক বিস্ফোরণের মতো
বিস্ফোরিত হয় বিশাল শূন্যতায়
এরপর একেকটি প্রহর
মুহূর্ত
এবঙ দীর্ঘ সময়
উৎপাদক বিশ্লেষণের কমন অনুভবগুলো
সন্ধান পায় কোনো অনুকূল গ্রহের
ক্যালরিমিতির সূত্র না বুঝেই
ছড়িয়ে পড়ে দুজনের মাঝে
ভীষণ উত্তাপ
সে উত্তাপের প্রশ্বাস পৃথিবী পেলে
সমস্ত অরণ্য ছাই হয়ে যেত
পৃতিবী থেকে পালাতো
আগুন নামক দাহ্য
জানোতো
ভালোবাসাই মানুষকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়
অতিবাস্তব সভ্যতায় প্রাসাদ কুঁড়েঘর
তারপর অবতার হয়ে অঙ্কুর গ্রহে গ্রহে…

শেয়ার করুন
  • 7
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!