সর্বশেষ সংযুক্তি
সুত্রপাত / কবিতা / কাশফুল হাতে থাকা মেয়েটি

কাশফুল হাতে থাকা মেয়েটি

শরৎ মানে শুভ্রতা, শরৎ মানে নীল আকাশে যেন সাদা মেঘের ভেলা … শরতের আকাশে
উজ্জ্বল রোদের যেন আনমনে হারিয়ে যাওয়া … প্রিয় কাউকে কল্পনার জগতে আবিষ্কার
করা আবার হঠাৎ করে-ই যেন হারিয়ে ফেলা !!

ঠিক তেমন-ই একটি দিনে দুই বন্ধু বেড়িয়ে ছিল অজানা কোন এক গন্তব্যের ঠিকানায় !!

চারটার শাটলের দরজায় বসে শহরে যাচ্ছিলো ছেলেটা … ট্রেন ছাড়ার পর পরই
কাশফুল উড়ে উড়ে তার উপর পরছিল … বামে উপরের দিকে তাকিয়ে দেখে, একটা মেয়ের
হাত … সেই হাতে একরাশ কাশফুল … উড়ে আসা কাশফুল রহস্যের সমাধান তাহলে এটা
!!

ছেলেটা সাধারণ সময়ে বিরক্ত বোধ করত … কিন্তু এ যে শাটল ভ্রমণ … রোমান্টিক
মুহূর্ত … হেডফোনে বাজছে রোমান্টিক গান …কিচ্ছু করার নেই … আবেগে পেয়ে
বসলো ছেলেটাকে … ভাবলো দুষ্টুমি করা যাক একটু !!

জানালা দিয়ে বেরিয়ে থাকা কাশগুচ্ছ থেকে অল্প অল্প কাশফুল ছিড়তে লাগলো সে …
“এক, দুই, তিন “… গুনে গুনে তিন বার !!

তারপর চোর পড়লো ধরা … কাশফুল চোর … চোখাচোখি হলো উজ্জ্বল নীল রঙের হিজাব
পরা মেয়েটির সাথে … আর কি?? সলজ্জ্ব চোরা হাসি … জবাবে, চোখে রাগ আর মুখে
হৃদয়-খুনকরা মৃদু হাসি !!

যাই হোক, ছেলেটা আমার বন্ধু, আর আমিও তার সাথে দরজায় বসা ছিলাম … এক প্রকার
সাক্ষী বলতে পারেন … ক্যান্টনমেন্ট আসার একটু আগের ঘটনা … মেয়েটি বন্ধুকে
একটা কাশফুলের স্টিক বাড়িয়ে দিল … বন্ধু আমার দ্বিধান্বিত … এই ফুল এগিয়ে
দেয়া কিসের ইঙ্গিত?? বিভ্রান্ত ছেলেটা, দিকভ্রান্ত হয়ে, আমার দিক তাকিয়ে হাসলো
… পর মুহূর্তেই ফুল তার হাতে !!

আজকের দিনে মেয়েদের এমন সহজ আচরণ বড়ই বিরল … অবাক বিস্ময়ে তাই দুই বন্ধুতে
চলছিল, হাসাহাসি আর ঘটনার (অথবা দূর্ঘটনা) চুলচেরা বিশ্লেষণ … বিশ্লেষণের
সিদ্ধান্ত হলো, “সুনয়না বিনোদন দিয়েছে আর ছেলেটাও বিনোদন নিয়েছে !!”

এভাবে ষোলশহর চলে আসলাম … এই সেই ষোলশহর … যেখানে মৃত্যু ঘটে শাটলের …
দরজায় বসা, তাই উঠে যেতে হলো নামার জায়গা দিতে … ভিড়ের ধাক্কার মাঝে, মিষ্টি
গলায় কেউ যেন বলে উঠলো ‘এক্সকিউজ মি !!’

জ্বি, তিনিই … ছেলেটিকে-ই বলেছেন … যাই হোক, সবাই চলে গেল … বন্ধু আর
আমি সিটে বসব বলে ভেতরে গেলাম … স্বাভাবিকভাবে-ই মেয়েটির বসে থাকা সিটে
তাকিয়ে বন্ধু আমাকে এক গুতা দিল … ফিরে তাকিয়ে দেখি, সিটের উপর
কাশফুলগুলো! এ প্রশ্নের জবাব কি ?? বন্ধু কি এখন ষোলশহরে খুঁজে পাবে সেই জবাব
?? নাকি শাটলের “হাতে কাশফুল থাকা সেই মেয়েটি”
আব্দুল্লাহ আল তানিম

শরৎ মানে শুভ্রতা, শরৎ মানে নীল আকাশে যেন সাদা মেঘের ভেলা … শরতের আকাশে
উজ্জ্বল রোদের যেন আনমনে হারিয়ে যাওয়া … প্রিয় কাউকে কল্পনার জগতে আবিষ্কার
করা আবার হঠাৎ করে-ই যেন হারিয়ে ফেলা !!

ঠিক তেমন-ই একটি দিনে দুই বন্ধু বেড়িয়ে ছিল অজানা কোন এক গন্তব্যের ঠিকানায় !!

চারটার শাটলের দরজায় বসে শহরে যাচ্ছিলো ছেলেটা … ট্রেন ছাড়ার পর পরই
কাশফুল উড়ে উড়ে তার উপর পরছিল … বামে উপরের দিকে তাকিয়ে দেখে, একটা মেয়ের
হাত … সেই হাতে একরাশ কাশফুল … উড়ে আসা কাশফুল রহস্যের সমাধান তাহলে এটা
!!

ছেলেটা সাধারণ সময়ে বিরক্ত বোধ করত … কিন্তু এ যে শাটল ভ্রমণ … রোমান্টিক
মুহূর্ত … হেডফোনে বাজছে রোমান্টিক গান …কিচ্ছু করার নেই … আবেগে পেয়ে
বসলো ছেলেটাকে … ভাবলো দুষ্টুমি করা যাক একটু !!

জানালা দিয়ে বেরিয়ে থাকা কাশগুচ্ছ থেকে অল্প অল্প কাশফুল ছিড়তে লাগলো সে …
“এক, দুই, তিন “… গুনে গুনে তিন বার !!

তারপর চোর পড়লো ধরা … কাশফুল চোর … চোখাচোখি হলো উজ্জ্বল নীল রঙের হিজাব
পরা মেয়েটির সাথে … আর কি?? সলজ্জ্ব চোরা হাসি … জবাবে, চোখে রাগ আর মুখে
হৃদয়-খুনকরা মৃদু হাসি !!

যাই হোক, ছেলেটা আমার বন্ধু, আর আমিও তার সাথে দরজায় বসা ছিলাম … এক প্রকার
সাক্ষী বলতে পারেন … ক্যান্টনমেন্ট আসার একটু আগের ঘটনা … মেয়েটি বন্ধুকে
একটা কাশফুলের স্টিক বাড়িয়ে দিল … বন্ধু আমার দ্বিধান্বিত … এই ফুল এগিয়ে
দেয়া কিসের ইঙ্গিত?? বিভ্রান্ত ছেলেটা, দিকভ্রান্ত হয়ে, আমার দিক তাকিয়ে হাসলো
… পর মুহূর্তেই ফুল তার হাতে !!

আজকের দিনে মেয়েদের এমন সহজ আচরণ বড়ই বিরল … অবাক বিস্ময়ে তাই দুই বন্ধুতে
চলছিল, হাসাহাসি আর ঘটনার (অথবা দূর্ঘটনা) চুলচেরা বিশ্লেষণ … বিশ্লেষণের
সিদ্ধান্ত হলো, “সুনয়না বিনোদন দিয়েছে আর ছেলেটাও বিনোদন নিয়েছে !!”

এভাবে ষোলশহর চলে আসলাম … এই সেই ষোলশহর … যেখানে মৃত্যু ঘটে শাটলের …
দরজায় বসা, তাই উঠে যেতে হলো নামার জায়গা দিতে … ভিড়ের ধাক্কার মাঝে, মিষ্টি
গলায় কেউ যেন বলে উঠলো ‘এক্সকিউজ মি !!’

জ্বি, তিনিই … ছেলেটিকে-ই বলেছেন … যাই হোক, সবাই চলে গেল … বন্ধু আর
আমি সিটে বসব বলে ভেতরে গেলাম … স্বাভাবিকভাবে-ই মেয়েটির বসে থাকা সিটে
তাকিয়ে বন্ধু আমাকে এক গুতা দিল … ফিরে তাকিয়ে দেখি, সিটের উপর
কাশফুলগুলো! এ প্রশ্নের জবাব কি ?? বন্ধু কি এখন ষোলশহরে খুঁজে পাবে সেই জবাব
?? নাকি শাটলের মত আমার বন্ধুর মুহূর্তটি ও মরে যাবে এই ভালোবাসার ষোলশহরে ??

কে জানে ??

এখন রাত ১০ টা, আমার বন্ধুর অবস্থা পাগলের মত … কল্পনায় তাকে সে খুঁজেই
যাচ্ছে … তার চোখের চাহনি, মিষ্টি হাসিতে মিশে সে একাকার … আমাকে বার বার
বলছে খুঁজে বের কর, খুঁজে বেরককহগকজহবহিবডুজহাব জচবাজহ কর … আমি তো আর অন্তর্যামী নই … তাই এই
লেখাটি … প্লিজ, আমার বন্ধুটা কে বাঁচাবেন … এই শরৎ এ তাকে আপনি আবারও
কাশফুল দেবেন !!

শরতের শুভ্রতা আর মেয়েটির হৃদয় -খুনকরা হাসি যেন সব কিছুকে-ই এলোমেলো করে
দিয়েছিল … কল্পনার জগতে সে বার বার এসে ধরা দিয়ে গেলেও বাস্তবে তাকে পাওয়া
যায় না … একদম পাওয়া যায় না !!” :)মত আমার বন্ধুর মুহূর্তটি ও মরে যাবে এই ভালোবাসার ষোলশহরে ??

কে জানে ??

এখন রাত ১০ টা, আমার বন্ধুর অবস্থা পাগলের মত … কল্পনায় তাকে সে খুঁজেই
যাচ্ছে … তার চোখের চাহনি, মিষ্টি হাসিতে মিশে সে একাকার … আমাকে বার বার
বলছে খুঁজে বের কর, খুঁজে বের কর … আমি তো আর অন্তর্যামী নই … তাই এই
লেখাটি … প্লিজ, আমার বন্ধুটা কে বাঁচাবেন … এই শরৎ এ তাকে আপনি আবারও
কাশফুল দেবেন !!

শরতের শুভ্রতা আর মেয়েটির হৃদয় -খুনকরা হাসি যেন সব কিছুকে-ই এলোমেলো করে
দিয়েছিল … কল্পনার জগতে সে বার বার এসে ধরা দিয়ে গেলেও বাস্তবে তাকে পাওয়া
যায় না … একদম পাওয়া যায় না !!” 🙂

লেখক-আব্দুল্লাহ আল তানিম

শেয়ার করুন
  • 14
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!