সর্বশেষ সংযুক্তি
সুত্রপাত / রাজনীতি / আসন্ন নির্বাচনের জন্য নতুন প্রজন্ম-নতুনধারা

আসন্ন নির্বাচনের জন্য নতুন প্রজন্ম-নতুনধারা

মোমিন মেহেদীঃ

বিশ্বময় নতুনের জয়গান। বিশ্বকাপে বিশ্ব আলোচিত দল ক্রোয়েশিয়া থেকে শুরু করে সারা বিশ্বে স্বৈরশাসকদের পতন নিয়ে এসেছে নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকগণ। বিশ্বময় আজ যে নতুন প্রজন্মের ডাক এসেছে, সে ডাক বাংলাদেশের মানুষের কানেও পৌছে যাচ্ছে। পরিবর্তন আসবেই। তবে বাংলাদেশের সেই পরিবর্তন নতুন প্রজন্মের জন্য হবে বিশ্বময় উদাহরণ।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান দেশটির প্রধান বিরোধী রাজনীতিবিদদের একজন। পাকিস্তানের আসন্ন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা সে নিয়ে পাকিস্তানে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা নাকচ করে দিয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, অন্য দলগুলো হঠাৎই বলতে শুরু করেছে যে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। এর কারণ হল, জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে- পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এগিয়ে রয়েছে। তারা আসলে ইতিমধ্যে ভাগ্যের লিখন দেখতে পাচ্ছে। গত পাঁচ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ দলটির সমর্থক ও দেশটির মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করছেন, ইমরান খানের দলকে জেতাতে দেশটির সেনাবাহিনী নির্বাচনের ফল সাজাচ্ছে। পাকিস্তানে এবারের নির্বাচনকে মূলত এ দুটি দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের ভাষ্যনুযায়ী, রাজনৈতিক উত্থান মাথায় রেখেই নির্বাচনের প্রচার চালিয়েছে তার দল। পাকিস্তানের নির্বাচনে তিনি দেশটির দুর্নীতি দমনকে তার প্রধান নীতি হিসেবে ব্যবহার করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নওয়াজ শরিফকে এ মাসের শুরুতে ১০ বছরের কারাদ- দিয়েছেন দেশটির দুর্নীতি দমন আদালত। ১৩ জুলাই যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেই গ্রেফতার হন নওয়াজ শরিফ ও তার মেয়ে। ওই দিনই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত বছর দুর্নীতির অভিযোগে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। ইমরান খান বেশ কিছু দিন ধরে যে অভিযোগে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করছিলেন, সেই অভিযোগেই তার সাজা হল। তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৈরি নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বাস করি, দুর্নীতির কারণে একটি দেশের ব্যয়ভার বহন করার অর্থ থাকে না। মানব উন্নয়নের জন্য অর্থ থাকে না। এ সম্পর্কে এই মামলাটি জনসচেতনতা তৈরি করেছে। তবে একথাও সত্য যে, নওয়াজ শরিফের কারাদ-ের পেছনের কারণ আসলে তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সেনাাবাহিনীর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন। পাকিস্তান রাষ্ট্র জন্মের অর্ধেকটা সময়ই দেশটির সব কিছুর নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করেছে সেখানকার সেনাবাহিনী। যদিও নওয়াজ শরিফ দাবি করেছেন, তার দল যাতে জয়ী না হয়, তাই দেশটির সেনাবাহিনী ভোটের আগেই ফল কারচুপির কার্যকলাপে নেমেছে। অন্যদিকে তার দলের বেশ কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের দল ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছে।

এই যখন পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তানের অবস্থা, তখন বাংলাদেশে শুরু হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক খেলা। রকমারি এ খেলায় নেমে মাঠে নানা মেরুকরণ ক্রমশ দানা বাঁধছে। ভোটের রাজনীতিতে শুরু হওয়া নানামুখী স্রোত এক বা একাধিক ধারায় মিলিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে জোট-মহাজোট সম্প্রসারণ, বৃহত্তর ঐক্য, জাতীয় ঐক্য ইত্যাদি নামে সমমনারা এক হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আসন ভাগাভাগি নিয়ে পর্দার অন্তরালে চলছে দেনদরবার। নির্বাচনের ফল ঘরে তুলতে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মতো করে ছক কষছে। শাসক দল আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিকরা চাচ্ছে ক্ষমতা ধরে রাখতে। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো তা পুনরুদ্ধারের কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের বাইরে থাকা দলের নেতারাও বসে নেই। কোন দল কার সঙ্গে জোট বাঁধবে? আসন কীভাবে ভাগ হবে? বিএনপি নির্বাচনে এলে এক ধরনের অবস্থা না এলে হবে ভিন্ন পরিস্থিতি। এর প্রভাব পড়বে জোট-মহাজোট গঠনেও। ভোটের আগে জোট-মহাজোটের বাইরের দলগুলোও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। নিজেদের গুরুত্ব বাড়াতে তারাও তৈরি করছে মোর্চা। সর্বশেষ বাম ঘরানার আট দল এক হয়ে ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট’ গঠন করেছে। জোটভুক্ত হতে পারছে না এমন অনেক দল ১৪ দলের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করছে। এ ধরনের একাধিক দলের নেতার সঙ্গে শাসক দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কথা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় জোট ‘বিএনএ’র ৯টি দল ১৪ দলের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ইসলামী দলগুলোও জোট বাঁধার চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গেও ১৪ দলের নেতাদের কথা হচ্ছে। মাঠের বিরোধী দল বিএনপি যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে দফায় দফায় আলোচনা করছে। আগামী নির্বাচনে পর্দার আড়ালে দলগুলোর মধ্যে চলছে দরকষাকষি। তফসিল ঘোষণার পর রাজনীতির মেরুকরণ স্পষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। একই সাথে বিম্বাস করি যে, যদি নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের কথা না ভেবেই কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, অনিবার্য হবে পতন। তবে মনে রাখতে হবে, বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া না-নেয়ায় বদলে যাবে ভোটের হিসাব-নিকাশ। দলটি নির্বাচনে অংশ নিলে এক ধরনের দৃশ্যপট মঞ্চস্থ হবে। নির্বাচন বর্জন করলে দেখা যাবে আরেক ধরনের দৃশ্যপট। সব জাতীয় নির্বাচনের আগেই রাজনীতিতে নতুন নতুন মেরুকরণ লক্ষ করা যায়। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখেও চলছে নানা মেরুকরণ। সমমনাদের নিয়ে নতুন মোর্চা গঠন করা হচ্ছে। সর্বশেষ আট বাম দল মিলে নতুন মোর্চার আত্মপ্রকাশ হয়েছে। এ ছাড়া ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে প্রধান দলগুলোর নতুন নতুন মিত্র খোঁজার চেষ্টা লক্ষ করা যাচ্ছে। ঐক্য বা বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার পাশাপাশি জোটের শরিকদের মনোমালিন্য দূর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে যে মেরুকরণই হোক তা যেন রাজনীতিতে ইতিবাচক হয়। শোনা যাচ্ছে- আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ইতিমধ্যে জোটবদ্ধ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। বসে নেই প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন এ দলটি এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিএনপি নির্বাচনে এলে তাদের কৌশল কী হবে- তা সময় বলে দেবে বলেও জানিয়েছে জাতীয় পার্টি। বসে নেই মাঠের বিরোধী দল বিএনপিও। নির্বাচন সামনে রেখে তারাও শুরু করেছে নানা হিসাব-নিকাশ। সরকারবিরোধী দলগুলো নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন দলটির নেতারা। আপাতত দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। তবে খালেদা জিয়া কারাগারে থাকলেও ভেতরে ভেতরে তারা জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে।

তবে বিএনপিকে নিয়ে না ভেবে বরং নিজেদেরকে আরো একবার ক্ষমতায় আনার জন্য মরিয়া আওয়ামী লীগের এমন বক্তব্যও প্রত্যাশা করি না ‘কে এলো এলো না তার জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করেছি। বিএনপিরও উচিত সময়ক্ষেপণ না করে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করা। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি দুর্নীতি করেছেন। আদালতে তা প্রমাণিত হয়েছে। আর তাই দ-প্রাপ্ত হয়ে কারাগারে গেছেন। এখানে সরকারের কিছুই করার নেই। সরকার চাইলেই তাকে মুক্তি দিতে পারে না। মুক্তি চাইলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চাইতে হবে। এর সঙ্গে ভোটে অংশগ্রহণ করা না-করার কোনো সম্পর্ক নেই। বিএনপি নির্বাচনে না এলে নিজেরাই দল হিসেবে হারিয়ে যাবে। তাই তারা অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে বলে আমি মনে করি।’

যদিও বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে করছি। বিএনপি তাদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই নির্বাচনে অংশ নেবে। অতএব, এ নিয়ে এত দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে এমনটা ধরেই ভোটের মেরুকরণ শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। আগামী নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ। এমনটা ধরে নিয়েই তারা রণকৌশল চূড়ান্ত করছেন। ১৪ দলীয় জোটের বাইরে মিত্র বাড়াতে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। ইতিমধ্যে বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় জোট ‘বিএনএ’র ৯টি দল আগামী নির্বাচনে ১৪ দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছে।

শুধু এখানেই শেষ নয়, অন্ধের ঘোড়া চড়ার মত করে ৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেন ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বৈঠকে ১৪ দলের সঙ্গে যুগপৎ কর্মসূচি পালনে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। নির্বাচন সামনে রেখে এখন শুধু সেক্যুলার শক্তির সঙ্গেই নয়, ইসলামী শক্তির সঙ্গেও সমঝোতায় যেতে চায় সরকার। যার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে হেফাজতে ইসলামকে কাছে টানার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বর্জন করলে রাজনীতির মেরুকরণ কী হবে সেই প্রস্তুতিও রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। পরিস্থিতি সেরকম হলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তখন ১৪ দল ছাড়া অন্যরা পৃথক নির্বাচন করবে- এমন পরিকল্পনাও সংশ্লিষ্টদের মাথায় আছে। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না-করার বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের অবস্থান এখনও ধোঁয়াশে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ও খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না- দলের দায়িত্বশীল নেতাদের কেউ কেউ মাঝেমধ্যে এমন অবস্থানের কথা বললেও পরক্ষণেই আবার বলছেন এবার আর একতরফা নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। বিএনপির অবস্থান এরকম অস্পষ্ট হলেও দলটির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকদের বেশিরভাগই নির্বাচনমুখী। বিএনপিও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি প্রস্তুতিও শুরু করেছে। দলীয় মনোনয়ন, ইশতেহার তৈরিসহ প্রাথমিক কাজ তারা অনেক আগেই শুরু করেছে। এবার সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চায় দলটি। সেই নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার চিন্তাভাবনাও রয়েছে। এ লক্ষ্যে নজর দেয়া হয়েছে বৃহত্তর ঐক্যের দিকে। সরকার বিরোধী নানা ইস্যুতে এক প্লাটফর্মে আসার কথা বলা হলেও তাদের মূল লক্ষ্য নির্বাচন। বৃহত্তর ঐক্য হলে সেটা নির্বাচনী ঐক্যে রূপ নেবে। তার উপর আছে- বি. চৌধুরীর বিকল্প, রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য মিলে গঠিত যুক্তফ্রন্টের রাজনীতি নামক খেলা। এ খেলায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা।

এছাড়া চিরজীবনের সুবিধাবাদী সিপিবি-বাসদসহ আট দল মিলে ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট’ নামে বামপন্থীদের নতুন একটি মোর্চা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ কেবলমাত্র প্রতারণা বলে ধারণা আমার। কেননা, নতুন প্রজন্ম ব্যতিত অচল সারা বিশ্ব। সেই বিশ্বময় অগ্রসর নতুন প্রজন্ম, প্রকৃত নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণে এগিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিকে। তা না হলে আবারো হতে পারে বুমেরাং সব, ফিরে আসতে পারে এক এগারোর রাত, বা তারও বেশি কিছু…

লেখক : চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি।

শেয়ার করুন
  • 26
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!