Home / ধর্ম ও দর্শন / ধর্মের উত্তরাধিকারি এবং মার্কসবাদের উত্তরাধিকারিরা ধূর্তবাজ!।। তানভীরুল মিরাজ রিপন

ধর্মের উত্তরাধিকারি এবং মার্কসবাদের উত্তরাধিকারিরা ধূর্তবাজ!।। তানভীরুল মিরাজ রিপন

তানভীরুল মিরাজ রিপন :
ধর্ম আর মার্কসবাদ দুটোই এখন উত্তরাধিকার সূত্রে দখলে গেছে। যারা আকড়ে ধরে আছে তারা এক একটা ধূর্তবাজ। তারা বর্ত্তমান দিনকালের সাথে ঐ আদি ব্যবস্থা ধর্মের কোন মিল না হওয়াতে পারিবারিক ধর্মীয় অনুশাসনের সাথে বাস্তবিক জীবনের তফাৎ থাকার কারনে ধর্মানুসারীরা হিংস্র হয়ে যাচ্ছে এবং দিনানুক্রমে আরো হিংস্রতার পরিচয় দিবে ধর্মানুসারীরা। অন্যদিকে মার্কসবাদ এর সাথে ব্যক্তিগত জীবনকে মাখিয়ে যারা ভ্রান্ত হচ্ছে তাদের জন্য আগামী দিনগুলো খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।দিনের পর দিন মুক্তবাজার অর্থনীতিকব্যবস্থা হওয়ার ফলে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন খুবই বাড়ার ফলে পৃথিবীতে বর্তমানে মার্কসবাদ বা পুঁজিবাদ বিরোধীতা সম্পর্কে মানুষের ধারনা কমে আসাতে পুঁজিবাদি রাষ্ট্রনীতি এবং পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।তারই ফলে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা হাতে গুনা কয়েকটি।এবং যেসব রাষ্ট্র থেকে পুঁজিবাদ বিরোধী এবং সাম্যবাদ সমাজ ব্যবস্থার প্রমাণ্যতা শুরু হয়েছিলো বা বিবর্তিত হয়েছিলো সে সকল রাষ্ট্রগুলো কাঠামোগত ভিন্নতা এসেছে , এবং তারা ক্ষমতা প্রদর্শনের বৈশ্বরাষ্ট্রনীতি সূত্রকে মেনে চলছে।তারাই এখন মুক্তবাজার অর্থনীতির ও খুন হত্যা কৌশলী ক্ষমতা প্রদর্শনের স্থান দখল করে আছে।সে দখলদ্বারিত্ব থেকে দুনিয়ার অদল বদল হতে বিশাল সময়ের দরকার।খুব অল্পসময়ে এই ব্যবস্থার পতন হবে না।

সুতরাং ধর্মীয় গোড়ামিতা থাকবে যতদিন পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুরানো হচ্ছে না এবং ভোটের রাষ্ট্রনীতি চলতে থাকবে ততোদিন ততোই সংঘর্ষ,সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এসব চলতে থাকবে এবং এসবের স্থায়ী সমাধান আসবে না,করা যাবে না।

এসব সমাধান হবে না তার কারন হলো ভারত কনস্ট্রাকশন আইনের যে এখনো পরিবর্তন হয়নি সে পুরানো নিয়মের অর্থনৈতিক কাঠামো, ধর্মীয় সংঘাত এর বিষয়ে যে আইন কানুন গুলো হয়েছিলো সেসব আইনগুলো মূলত ব্রিটিশরা জাতীয়তাবাদে হানা দিয়ে একতা এবং ঐক্য ধ্বংসের জন্য করেছিলো।সে আইনগুলোর এই প্রযুক্তির যুগে কিয়দংশ পরিবর্তন হয়ে যে কর্মকান্ড চলছে তা থেকে বর্তমান সংকট গুলো কেটে ওঠা খুবই কঠিন হবে,এবং এই জটিল সংকট তীব্র ঘনতর হলে ‘দিনবদলায় ইতিহাস ফিরে আসে’ ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাগুলো বাড়বে এবং বিশৃঙ্খলা বাড়বে।তথ্য প্রযুক্তি আইনে নীতিমালাতে উদ্দেশ্যমূলক এবং সংকট সমাধান হয় এমন নীতিমালা বর্তমান সময়ে জরুরী। কারন আমাদের স্বাক্ষরতা স্বয়ংসম্পূর্ন না হওয়ার আগেই ঘনমানুষগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং তথ্যপ্রযুক্তি মুখি হয়ে যাচ্ছে,এবং জরিপ মাত্রা বেড়েই চলেছে এতে এই সকল সংকটের তীব্রতা বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নূন্যতম শিক্ষিত হওয়া খুবই জরুরী।

লেখক: ছাত্র, গণ সাংবাদিকতা ও সম্প্রচার প্রকৌশল বিভাগ।

Comments

comments

Check Also

ধর্মে আমাদের দ্বৈত আচরণ, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ

মোর্শেদ আলম সাকিল : মৃত ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশ করলেই চারপাশের পরিবেশ বলে দেয় যে, এই …