Home / গবেষণা / ভাষা ও চেতনার সম্পর্ক ।। মোঃ লুৎফর রহমান

ভাষা ও চেতনার সম্পর্ক ।। মোঃ লুৎফর রহমান

মোঃ লুৎফর রহমান:

(১) ভাষা ও চেতনা অবিচ্ছিন্ন : ভাষা ও চেতনা বিচ্ছিন্ন কিছু না । ভাষা হচ্ছে চেতনার একটি ধরণ বা রূপ । চেতনা আত্মপ্রকাশের সময় থেকেই ভাষার বহিরাবরণে ছিলো । ভাষার মধ্য দিয়ে চেতনা বাস্তবে পরিণত হয় । লোকেরা ভাষা দিয়েই চেতনাকে উপলব্ধি করে । ভাষা ও চেতনার কাল একই ।ভাষা হচ্ছে ব্যবহারিক চেতনা । ভাষার জন্ম চেতনার আদান-প্রদানের জন্য । তাই ভাষা ও চেতনা একটি অপরটি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না । কোনো শিশু যদি ভাষা না শেখে তো তার চেতনার বিকাশ হয় না । (২) ভাষা ও চেতনা সামাজিক শর্তে আবদ্ধ : প্রত্যেক সমাজের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো থাকে । আর সেই সমাজের বিকাশের কতোগুলো নিয়ম থাকে । চেতনার বিকাশে সমাজবিকাশের স্তরগুলো কাজ করে আবার ভাষার বিকাশেও একই জিনিস কাজ করে । ভাষা ও চেতনা মানুষের সামাজিক আদানপ্রদান ও জ্ঞান আহরণে একসাথে অবদান রাখে । চেতনা যেখানে বাস্তবকে জানে ভাষা সেখানে বাস্তবকে ব্যাখ্যা করে । ভাষা ব্যক্তিকে সক্ষম করে অন্যকে প্রভাবিত করতে ।

এই ভাষাই আবার সমাজকে সক্ষম করে ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে । এভাবে ভাষা ও চেতনা সামজিক শর্তে আবদ্ধ । (৩) চেতনার বিকাশে ভাষার ক্রিয়া : (ক) আখ্যামূলক ক্রিয়া : আখ্যা মানে নাম দেয়া, সংজ্ঞা ঠিক করা । ভাষা পারিপার্শ্বিক বস্তুর নাম দেয়, বস্তুসমূহের সংযোগ এবং সম্পর্ককে বোঝায় । ভাষা মানবজ্ঞানের বাহক । বস্তু ও ভাবের মধ্যস্থতাকারী । ভাষা বিমূর্তকে মূর্তিমান করে, অর্থাৎ চেতনার বিষয়কে বাস্তবে রূপ দেয় । (খ) ভাষার সামান্যীকরণ ক্রিয়া : কোনো বস্তু বা ঘটনা যেমন কতক গুণ-ধর্মের দ্বারা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনা থেকে স্বতন্ত্র তেমনি কোনো বস্তু ও ঘটনার মধ্যে এমন কতক গুণ-ধর্ম আছে যা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনার মাঝেও দেখা যায় এটা বস্তু বা ঘটনার সার্বিকতার দিক, দর্শনের ভাষায় একে বলে সামান্য । ভাষা, বস্তু বা ঘটনাবলীর এই সামান্যীকরণ বা সার্বিকতার কাজটা করে । ভাষার ইতিহাস হলো মানবজাতির চেতনা দিয়ে জগৎকে জানার ইতিহাস ।

(গ) আদানপ্রদানমূলক ক্রিয়া : ভাষা হলো মানবজাতির ভাবের আদানপ্রদানের উপায় । ভাষা দিয়ে মানুষ ব্যক্তিকে, জাতিকে এবং অতীতকে জেনে ভবিষ্যতের মানুষের কাছে জ্ঞান সঞ্চালন করে । হরফ আবিষ্কার একে আরো দ্রুততর করেছে । মানুষের শ্রমের এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । এই যোগসূত্রে মানুষ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও সাম্যের আন্দোলনে শরীক হচ্ছে । ভাষা শুধু জ্ঞানার্জনের হাতিয়ার না, জগৎকে বদলানোরও হাতিয়ার । ভাষার সকল ক্রিয়াই চেতনার সাথে ঐক্যে ও আন্ত:সংযোগে প্রকাশ পায় । ভাষা ও চেতনা পরস্পরের সংযোগের মাধ্যমে দুটুই সমাজের ঐতিহাসিক বিকাশের ধারায় বিকশিত হয় । ভাষা ও চেতনার সম্পর্ক : (১) ভাষা ও চেতনা অবিচ্ছিন্ন : ভাষা ও চেতনা বিচ্ছিন্ন কিছু না । ভাষা হচ্ছে চেতনার একটি ধরণ বা রূপ । চেতনা আত্মপ্রকাশের সময় থেকেই ভাষার বহিরাবরণে ছিলো । ভাষার মধ্য দিয়ে চেতনা বাস্তবে পরিণত হয় । লোকেরা ভাষা দিয়েই চেতনাকে উপলব্ধি করে । ভাষা ও চেতনার কাল একই ।ভাষা হচ্ছে ব্যবহারিক চেতনা । ভাষার জন্ম চেতনার আদান-প্রদানের জন্য ।

তাই ভাষা ও চেতনা একটি অপরটি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না । কোনো শিশু যদি ভাষা না শেখে তো তার চেতনার বিকাশ হয় না । (২) ভাষা ও চেতনা সামাজিক শর্তে আবদ্ধ : প্রত্যেক সমাজের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো থাকে । আর সেই সমাজের বিকাশের কতোগুলো নিয়ম থাকে । চেতনার বিকাশে সমাজবিকাশের স্তরগুলো কাজ করে আবার ভাষার বিকাশেও একই জিনিস কাজ করে । ভাষা ও চেতনা মানুষের সামাজিক আদানপ্রদান ও জ্ঞান আহরণে একসাথে অবদান রাখে । চেতনা যেখানে বাস্তবকে জানে ভাষা সেখানে বাস্তবকে ব্যাখ্যা করে । ভাষা ব্যক্তিকে সক্ষম করে অন্যকে প্রভাবিত করতে । এই ভাষাই আবার সমাজকে সক্ষম করে ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে । এভাবে ভাষা ও চেতনা সামজিক শর্তে আবদ্ধ । (৩) চেতনার বিকাশে ভাষার ক্রিয়া : (ক) আখ্যামূলক ক্রিয়া : আখ্যা মানে নাম দেয়া, সংজ্ঞা ঠিক করা । ভাষা পারিপার্শ্বিক বস্তুর নাম দেয়, বস্তুসমূহের সংযোগ এবং সম্পর্ককে বোঝায় । ভাষা মানবজ্ঞানের বাহক । বস্তু ও ভাবের মধ্যস্থতাকারী ।

ভাষা বিমূর্তকে মূর্তিমান করে, অর্থাৎ চেতনার বিষয়কে বাস্তবে রূপ দেয় । (খ) ভাষার সামান্যীকরণ ক্রিয়া : কোনো বস্তু বা ঘটনা যেমন কতক গুণ-ধর্মের দ্বারা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনা থেকে স্বতন্ত্র তেমনি কোনো বস্তু ও ঘটনার মধ্যে এমন কতক গুণ-ধর্ম আছে যা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনার মাঝেও দেখা যায় এটা বস্তু বা ঘটনার সার্বিকতার দিক, দর্শনের ভাষায় একে বলে সামান্য । ভাষা, বস্তু বা ঘটনাবলীর এই সামান্যীকরণ বা সার্বিকতার কাজটা করে । ভাষার ইতিহাস হলো মানবজাতির চেতনা দিয়ে জগৎকে জানার ইতিহাস । (গ) আদানপ্রদানমূলক ক্রিয়া : ভাষা হলো মানবজাতির ভাবের আদানপ্রদানের উপায় । ভাষা দিয়ে মানুষ ব্যক্তিকে, জাতিকে এবং অতীতকে জেনে ভবিষ্যতের মানুষের কাছে জ্ঞান সঞ্চালন করে । হরফ আবিষ্কার একে আরো দ্রুততর করেছে । মানুষের শ্রমের এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । এই যোগসূত্রে মানুষ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও সাম্যের আন্দোলনে শরীক হচ্ছে । ভাষা শুধু জ্ঞানার্জনের হাতিয়ার না, জগৎকে বদলানোরও হাতিয়ার । ভাষার সকল ক্রিয়াই চেতনার সাথে ঐক্যে ও আন্ত:সংযোগে প্রকাশ পায় । ভাষা ও চেতনা পরস্পরের সংযোগের মাধ্যমে দুটুই সমাজের ঐতিহাসিক বিকাশের ধারায় বিকশিত হয় । ভাষা ও চেতনার সম্পর্ক : (১) ভাষা ও চেতনা অবিচ্ছিন্ন : ভাষা ও চেতনা বিচ্ছিন্ন কিছু না ।

ভাষা হচ্ছে চেতনার একটি ধরণ বা রূপ । চেতনা আত্মপ্রকাশের সময় থেকেই ভাষার বহিরাবরণে ছিলো । ভাষার মধ্য দিয়ে চেতনা বাস্তবে পরিণত হয় । লোকেরা ভাষা দিয়েই চেতনাকে উপলব্ধি করে । ভাষা ও চেতনার কাল একই ।ভাষা হচ্ছে ব্যবহারিক চেতনা । ভাষার জন্ম চেতনার আদান-প্রদানের জন্য । তাই ভাষা ও চেতনা একটি অপরটি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না । কোনো শিশু যদি ভাষা না শেখে তো তার চেতনার বিকাশ হয় না । (২) ভাষা ও চেতনা সামাজিক শর্তে আবদ্ধ : প্রত্যেক সমাজের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো থাকে । আর সেই সমাজের বিকাশের কতোগুলো নিয়ম থাকে । চেতনার বিকাশে সমাজবিকাশের স্তরগুলো কাজ করে আবার ভাষার বিকাশেও একই জিনিস কাজ করে । ভাষা ও চেতনা মানুষের সামাজিক আদানপ্রদান ও জ্ঞান আহরণে একসাথে অবদান রাখে । চেতনা যেখানে বাস্তবকে জানে ভাষা সেখানে বাস্তবকে ব্যাখ্যা করে । ভাষা ব্যক্তিকে সক্ষম করে অন্যকে প্রভাবিত করতে । এই ভাষাই আবার সমাজকে সক্ষম করে ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে ।

এভাবে ভাষা ও চেতনা সামজিক শর্তে আবদ্ধ । (৩) চেতনার বিকাশে ভাষার ক্রিয়া : (ক) আখ্যামূলক ক্রিয়া : আখ্যা মানে নাম দেয়া, সংজ্ঞা ঠিক করা । ভাষা পারিপার্শ্বিক বস্তুর নাম দেয়, বস্তুসমূহের সংযোগ এবং সম্পর্ককে বোঝায় । ভাষা মানবজ্ঞানের বাহক । বস্তু ও ভাবের মধ্যস্থতাকারী । ভাষা বিমূর্তকে মূর্তিমান করে, অর্থাৎ চেতনার বিষয়কে বাস্তবে রূপ দেয় । (খ) ভাষার সামান্যীকরণ ক্রিয়া : কোনো বস্তু বা ঘটনা যেমন কতক গুণ-ধর্মের দ্বারা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনা থেকে স্বতন্ত্র তেমনি কোনো বস্তু ও ঘটনার মধ্যে এমন কতক গুণ-ধর্ম আছে যা অন্যান্য বস্তু বা ঘটনার মাঝেও দেখা যায় এটা বস্তু বা ঘটনার সার্বিকতার দিক, দর্শনের ভাষায় একে বলে সামান্য । ভাষা, বস্তু বা ঘটনাবলীর এই সামান্যীকরণ বা সার্বিকতার কাজটা করে । ভাষার ইতিহাস হলো মানবজাতির চেতনা দিয়ে জগৎকে জানার ইতিহাস । (গ) আদানপ্রদানমূলক ক্রিয়া : ভাষা হলো মানবজাতির ভাবের আদানপ্রদানের উপায় । ভাষা দিয়ে মানুষ ব্যক্তিকে, জাতিকে এবং অতীতকে জেনে ভবিষ্যতের মানুষের কাছে জ্ঞান সঞ্চালন করে । হরফ আবিষ্কার একে আরো দ্রুততর করেছে । মানুষের শ্রমের এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । এই যোগসূত্রে মানুষ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও সাম্যের আন্দোলনে শরীক হচ্ছে । ভাষা শুধু জ্ঞানার্জনের হাতিয়ার না, জগৎকে বদলানোরও হাতিয়ার । ভাষার সকল ক্রিয়াই চেতনার সাথে ঐক্যে ও আন্ত:সংযোগে প্রকাশ পায় । ভাষা ও চেতনা পরস্পরের সংযোগের মাধ্যমে দুটুই সমাজের ঐতিহাসিক বিকাশের ধারায় বিকশিত হয়।

Comments

comments

Check Also

আত্মহত্যা একটি সৃষ্টি এবং কেনো করি?

শতাব্দী সানজানা: আমি মনে করি আত্মহত্যা একটি রোগ। ইন্টারনেট ঘাটতে গিয়ে দেখলাম আমার ধারণা ঠিক। …