‘চে গুয়েভারা‘র ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে লাল সালাম

লাবণী মন্ডল:

‘পিতৃভূমি অথবা মৃত্যু
আমরা জিতবই’
মেজর এর্নেস্তো চে গুয়েভারা

শুরু করছি বিপ্লবী চে গুয়েভারার চিঠি দিয়ে বাবা-মাকে লেখা ১৯৬৫ সালের মাঝামাঝি সময়ের চিঠি।

প্রিয় জনগণ,
আরও একবার আমি আমার পায়ের গোড়ালির মাঝে অনুভব করছি রোজিনাস্তের পাঁজরের অস্তিত্ব। আরও একবার আমার হাতে ধরে থাকা ঢাল দিয়ে আঘাত করছি পাহাড়ি পথে।
আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগে আমি তোমাদের কাছে আর একটি বিদায়লিপি পাঠিয়েছিলাম। যতদূর মনে পড়ে, ভালো যোদ্ধা বা ভালো ডাক্তার না হতে পারার জন্য আমি কিছুটা আক্ষেপ করেছিলাম। আমাকে আগ্রহী করেনি, কিন্তু আমি খারাপ যোদ্ধা নই।
এই সময়কালে মূলগতভাবে কোনো পরিবর্তনই হয়নি। শুধু যেটা ঘটেছে, আমি এখন অনেক বেশি সচেতন, আমার মার্ক্সবাদ ছড়িয়ে দিয়েছে শিকড়, আমাকে তা শুদ্ধতর করেছে। আমি বিশ্বাস করি, যেসব মানুষ নিজেদের মুক্ত করার জন্য সংগ্রাম করছেন তাঁদের পক্ষে সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হলো সশস্ত্র সংগ্রাম এবং আমার এই বিশ্বাসের প্রতি আমি অবিচল। অনেকেই আমাকে হয়তো রোমাঞ্চ-অভিযাত্রী বলবে এবং আমি তাই শুধু একটি ব্যতিক্রম ছাড়া। আমি সেই রোমাঞ্চ-অভিযাত্রীদের একজন যে নিজের বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠা করতে দাম ধরে দেয়ে গোটা জীবনটাকেই।
হতে পারে যে এবারেই হয়তো শেষ। এই সমাপ্তিকে আমি আবাহন করছি না, কিন্তু এর সম্ভাবনাও অত্যন্ত যৌক্তিক। যদি তা হয় তাহলে এটাই তোমাদের প্রতি আমার শেষ প্রণাম।
আমি তোমাদের ভীষণ ভালোবেসেছি। শুধু জানি না কিভাবে সেই ভালোবাসাকে প্রকাশ করতে হয়। কাজের ব্যাপারে আমি খুবই কঠোর এবং আমার মনে হয়, অনেক সময়েই তোমরা আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারোনি। আমাকে বোঝা কিন্তু অত সহজও নয়। তবুও আমার আজকের এই কথাগুলো থেকেই তোমরা আমাকে কিছুটা বুঝে নিও।
যে ইচ্ছাকে আমি আলোয় ভরিয়ে রেখেছি এতকাল সেই ইচ্ছাই এবার এগিয়ে যাবে রুগণ পা আর ক্লান্ত ফুসফুসের ওপর ভর করে। কাজটা আমি করবই। বিংশ শতাব্দীর ছোট্ট ভবঘুরে সৈনিকটির কথা একটু মনে রেখো। সিলিয়া, রোবের্তো, জুয়ান মার্তিন, পোততিন, বেয়ত্রিজকে আমার চুমু দিও।

আর তোমাদের দুরন্ত বাউন্ডলে ছেলের তরফ থেকে তোমাদের আলিঙ্গন।
এর্নেস্তো

বিপ্লবীর চে গুয়েভারার এই পঞ্চাশতম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের স্লোগান উঠুক, চে গুয়েভারারা মরেন না, তাঁরা বেঁচে থাকেন কর্মে-আদর্শে-দর্শনে। তাঁদের দর্শনকে অবলম্বন করে আমরা বেঁচে থাকি, সংগ্রামী হই, লড়াকু হই। লড়াইয়ের হাতিয়ার হিসেবে তাঁদেরই বিপ্লবী চেতনাকে অনুসরণ করে থাকি।

জন্ম থেকে মৃত্যু, এই চলার পথটির নামই জীবন। কিন্তু সব জীবন অর্থবহ হয় না। সবার জীবন নিয়ে জীবনী হয় না, তাই ইতিহাস তাদের ধরেও রাখে না। ইতিহাস ধরে রাখে শুধু তাদেরই, যারা হয়ে ওঠেন বিশিষ্ট ও অনন্য-অসাধারণ জীবনের অধিকারী। যে জীবনকে সবাই শ্রদ্ধা করে। আবার অনেকে অনুকরণ-অনুসরণ করার চেষ্টা করে। এমন জীবন শুধু জন্মসূত্রে পাওয়া যায় না, এটা অর্জন করতে হয়, তৈরি করতে হয় কঠোর শ্রম, গভীর নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ দিয়ে। এর জন্য তৈরি কোনো পথ নেই, পথ তৈরি করে করে এগোতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রেরণা হয়ে পথ দেখায় এক মহৎ জীবনবোধ, আদর্শবোধ ও দেশপ্রেম। চে গুয়েভারা হলেন সেরকম জীবনের অধিকারী। যাঁর পুরো জীবনটাই সংগ্রামী। যিনি আমৃত্যু লড়েছিলেন সারা বিশে^র নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত, বঞ্চিত মানুষের জন্য। চে গুয়েভারা আজ বেঁচে না থাকলেও তাঁর জীবনাদর্শন এখনও সারাবিশ^ব্যাপী মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মানবতার সংগ্রামে যাঁর জীবনাদর্শন ইস্পাতদৃঢ়। যাঁর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এখনও হাজারো তরুণ-ছাত্রসমাজ অকুতোভয়ে জীবন দিতে প্রস্তুত।

চে’ একটি নাম। একটি বিপ্লব! যে নামের সঙ্গে বিপ্লব শব্দটির অদ্ভুত সম্পর্ক। যে নামটি থেকে বিপ্লব শব্দটিকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই। চে’ নামটি শুনলেই শরীরের কোষগুলো বিদ্রোহ করে উঠে। মুহূর্তের মধ্যে চেতনার তন্দ্রা-কারফিউ ভেঙ্গে যায়। এ এক অদ্ভুত অনুভূতি। অবশ্য এ অনুভূতি উপলব্ধির জন্য চেতনা থাকা চাই।
চে গুয়েভারা একাধারে কবি, প্রেমিক, দেশপ্রেমিক, লেখক। তিনি জীবিত অবস্থায় লিখেছেন অসংখ্য বিপ্লবী বই। যে বই আজ আমাদের জন্য অনুসরণীয়। তিনি লিখেছেন মোটর সাইকেল ডায়েরি, আবার পথে, স্মৃতিকথায় কিউবা বিপ্লব, ডাক দিয়ে যাই, বলিভিয়ার ডায়েরি, আমাদের আর তাহাদের আমেরিকা, ন্যায়সূত্র, মার্ক্স ও এঙ্গেলস: জীবনী পাঠের সূত্রপাত, গেরিলাযুদ্ধ, প্রবন্ধ: বক্তৃতা, সমাজতন্ত্র এবং কিউবার মানুষ, কবিতা ও চিঠি।

 

এই ক্ষণজন্মা বিপ্লবী মাত্র ৪৩ বছর বেঁচেছিলেন। তাঁর জন্ম ১৯২৮ সালের ১৪ জুন, আর্জেন্টিনার গোমারিও শহরে। বাবা গুয়েভারা লিঞ্চ ও মা মেরিলা মেনা। তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবর দিন শেষে ৯ অক্টোবরের পড়ন্ত রাতের ১টা ৩০ মিনিটে।
পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর বুয়েন্স আয়ার্সের ন্যাশনাল মেডিকেল স্কুল এবং কলেজ। পড়াশুনা শেষে রক্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হন। কিন্তু এই ডাক্তারের রক্তে এবং চেতনায় ঢুকে যায় মার্ক্সবাদের মন্ত্র। যার ফলে চেতনায় ঘুরপাক খেতে থাকে শোষিত মানুষের প্রতিচ্ছবি। সারাক্ষণ অস্থির। কিছু একটা করতে হবে এদের জন্য।
তাই ছুটে যান নিরন্ন-অনাহারী মানুষের কাছে। দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। এভাবে পার হয়ে যায় বছর। শোষিত মানুষের মুক্তির জন্য বিপ্লবের নেশায় পাগল হয়ে ওঠেন তিনি। বন্ধু চিচিনার দেয়া ১৫ ডলার ও বন্ধু আলবার্তোকে সঙ্গে নিয়ে জরাজীর্ণ মোটর সাইকেলে চড়ে আর্জেন্টিনার ক্ষুদ্র গন্ডি পেরিয়ে ঘুরে বেড়ান ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে। উদ্দেশ্য একটাই বিপ্লব। প্রত্যক্ষ করেন সেখানকার বাস্তবতা।
ঘুরে বেড়ান পেরু, ভেনিজুয়েলা, পানামা, ইকুয়েডর, মেক্সিকো, কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া ও কিউবাসহ আরো অনেক দেশে। এসব দেশে তিনি বিপ্লবী তৈরি ও বিপ্লব সংগঠিত করার জন্য বিপ্লবী কর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণ দেন। ১৯৫৩ সালে তিনি গুয়েতেমালার সরকার প্রধান জ্যাকোবা আরচেঞ্জের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সে দেশে যান। জ্যাকোবা আরচেঞ্জ ছিলেন আরেক বিপ্লবী। এ সময় বিপ্লবী কর্মকা- পরিচালনার সুবিধার জন্য ছদ্মনাম নেন চে’। এই নামেই তিনি আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছেন। দেশে দেশে বিপ্লবের নেশায় এক পর্যায় চে মেক্সিকোতে চলে যান। ১৯৫৪-৫৫ সাল পর্যন্ত চে নিজেকে ও বিপ্লবকে বাঁচিয়ে রাখতে সব ধরনের কষ্ট সহ্য করে টিকে থেকেছেন। ১৯৫৫ সালে মেক্সিকোতে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর সঙ্গে চে’র সাক্ষাত হয়। দুই বিপ্লবী বেশ কিছুদিন যাবৎ সমাজ বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে মনস্থির করলেন বিপ্লবের কোনো বিকল্প নেই। বিপ্লবের জন্য প্রথম নিশানা ঠিক হলো কিউবা। চে-ফিদেল বাহিনী কিউবায় অবস্থান নিল। গেরিলা যুদ্ধ শুরু হলো। যুদ্ধ পরিচালনার নৈপুণ্যতা ও পারদর্শিতার কারণে চে’-কে তাঁর সহযোদ্ধারা সামরিক বাহিনীর অধিনায়ক বানিয়েছিল।

৮২ জন বিপ্লবী বহন করে নেয়া ‘গ্রানামা’ নৌযানটি কিউবার মাটি স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে বাতিস্তা সরকারের হাজার হাজার সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হন। অর্থাৎ বাতিস্তা সরকার গোপনে খবর পেয়েছিল এ রকম একটা ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। ৩ দিনের মধ্যে বিপ্লবীদের ৬০ জন সশস্ত্র সংগ্রামে শহীদ হন। বন্দী হন ৪ জন। চে’ আহত হন। যোদ্ধারা কিউবার সিয়েরো সায়েস্ত্রি পাহাড়ে আত্মগোপন করেন। এখানে নতুন করে স্থাপিত হলো বিপ্লবী ঘাঁটি। গেরিলা সৈন্য সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ চলতে থাকলো। এ সময় কিউবার অসংখ্য তরুণ মার্ক্সবাদী মন্ত্রে দীক্ষা নিয়ে ফিদেল-চে বাহিনীতে যোগ দিয়ে সশস্ত্র সংগ্রাম চালায়। গেরিলা বাহিনী স্বৈরাচারী সরকারের ভিত তছনছ করে দেয়। কিউবার সকল মানুষ ফিদেল-চে বাহিনীকে সমর্থন দিল। ১৯৫৯ সালের ২ জানুয়ারী চে-বাহিনী রাজধানী হাভানা দখল করে। কিউবায় প্রতিষ্ঠিত হয় সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা। প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল। চে-কে প্রথমে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট পদ দেয়া হয়। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন তিনি।

কিছু দিন পর চে’র চেতনায় আবারও ভেসে উঠলো শোষিত মানুষের প্রতিচ্ছবি। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য আমার জন্ম হয়নি। পুনরায় বিপ্লবের নেশায়, মানুষের মুক্তির নেশায় সাম্রাজ্যবাদকে কবর দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলেন। বিদায় নিলেন কিউবা থেকে।
হে বন্ধু আমার, কমরেডগণ ও কিউবার সকল মানুষ-বিদায়! পার্টির জাতীয় নেতৃত্ব ও আমার রাষ্ট্রীয় সকল পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিচ্ছি। ত্যাগ করছি আমার মন্ত্রীত্ব, মেজর পদ ও কিউবার নাগরিকত্ব। তুমি (ফিদেল) আমার স্ত্রী-কন্যাদের দেখো। বিপ্লবী অভিনন্দনসহ চে’।
চলে যান লুলুম্বার দেশ কঙ্গোতে। প্রতিকূল পরিবেশ দেখে সেখান থেকে চলে যান বলিভিয়ায়। ১৯৬৫ সালে বলিভিয়ায় শুরু করেন বিপ্লবী কর্মকান্ড। ধীরে ধীরে গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বলিভিয়ার স্বৈরাচার সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দেন। এ কাজে বলিভিয়ার কমিউনিষ্ট পার্টি তাঁ সহযোগিতা করেনি। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা বলিভিয়ার জঙ্গলে হণ্যে হয়ে খুঁজছে তাঁকে। ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবর বলিভিয়ার ইউরো উপত্যকায় চে-সহ ১৬ জন বিপ্লবীকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে। প্রায় সহস্র সৈন্যের সাথে দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা যুদ্ধ করে পরাস্ত হয় চে’র বিপ্লবী বাহিনী। তারপর রাত ১টা ৩০ মিনিটে মারিও তোয়ান ১০টি গুলির আঘাতে চে-কে নির্মমভাবে হত্যা করে।

বিপ্লবী চে গুয়েভারার একটি প্রিয় কবিতা দিয়ে শেষ করছি:

 

পালঙ্ক
চে গুয়েভারা

তোমার পাথরের চূড়ায় চূড়ায় জীবনের স্পন্দন
হে আমার সবুজ নীলিমা!
বহু জন্মের নিঃশব্দ গাম্ভীর্য তোমার
সাজিয়েছে সমাধির নিশানা।
ঝুলে পড়া মোটা কাচ বিজ্ঞের উৎসাহে
কখনও বিব্রত ভীষণ,
কখনও আক্রান্ত
মার্কিন পর্যটকের কুৎসিত রসিকতায়,
অথবা নিকষ সবল স্পর্শে।
আমি জানি না, এ কি অদ্ভুত!
ব্যাপ্ত অরণ্য তোমাকে বুকে টেনে নিয়েছে, আলিঙ্গন করেছে
প্রতিটি গাছের মাথায় মাথায় আকুল আহ্বানে,
মৃত্তিকার গভীরে তাদের শিরায় শিরায়।
প্রাজ্ঞ প্রাণীতত্ত্ববিদ চলে যান ছবির সেই প্রান্তসীমায়
যেখানে আলোকিত তোমার মন্দির, কণ্ঠস্বর
এবং যেখানে এখনও তুমি বেঁচে আছ, অবিনশ্বর!
কোনো শক্তি যে তোমাকে শতাব্দীর পর
শতাব্দী ধরে বাঁচিয়ে রেখেছে, বেঁধেছে যৌবনের স্বর,
কে জানে! ঈশ্বর তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন
নিজেরই পায়ের ওপর অবিচলতার কোনো তপ্ত প্রয়াসে?
এ কি কোনো ক্রান্তিকালের উল্লাসে ফেটে পড়া সূর্য?
তাহলে চিচেন ইতজাতে নয় কেন?
তা-কি অরণ্যে মুক্ত আকাশের কলতান,
না-কি পাখিদের হালকা হাওয়ার নিবিড় গান?
কিন্তু কুইরিগুয়া এত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন কেন?
তা কি সিয়েরার পাথরে আছড়ে পড়া দুরন্ত নদীর
যৌবনের কলোচ্ছ্বাস?
ইনকারা এখন শুধু অতীত ইতিহাস।
জয়তু বিপ্লবী চে গুয়েভারা। আপনি বেঁচে থাকবেন অনুপ্রেরণায়।

লেখক: কবি ও প্রাবন্ধিক ।

Comments

comments

Updated: ৯ অক্টোবর, ২০১৭, ১২ টা ১৭ মিনিট, পূর্বাহ্ণ — ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার কলম © ২০১৭, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখা পাঠানোর ঠিকানা: editor@amarkolom.com