Home / সম্পাদকের কলম / বাবার বন্ধুদের থেকে সাবধান ।। লাবণী মন্ডল

বাবার বন্ধুদের থেকে সাবধান ।। লাবণী মন্ডল

মেয়েটিকে আমি চিনি, জানি। গত দু’বছর ধরেই চিনি। বেশ সখ্যতাও গড়ে উঠেছে। বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট হয়েও ‘তুই-তোকারি’ সম্পর্ক। দোস্ত বলেই সম্বোধন করি একে-অপরকে। ওর পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথেও আমার বেশ সখ্যতা, আন্তরিকতা। বাবা, মা, ছোট বোন খুবই ভালোবাসে আমাকে হয়তো ওর কারণেই। তবুও কারণ খুঁজি কেনো এতো ভালোবাসেন? একটাই উত্তর তোমাকে তো ভালোই-বাসা যায় ‘মা’।

বয়স ১৯’এর ঘরে। দেখতে বেশ মিষ্টি। সমাজের দৃষ্টিতে বাহ্যিক যে সৌন্দর্য তার সবকিছুই ওর মধ্যে বিদ্যমান। কথাও বলে বেশ চমৎকার। তবে একটু বোকা টাইপের। এটা হয়তো, ওর জগতের কারণেই। এই তো দু’বছর আগেও জগৎ-সংসার বলতে বুঝতো প্রেম-বিয়ে-সন্তান। আমার সাথে সখ্যতা হওয়ার পর থেকেই কিছু পরিবর্তন ওর মধ্যে দেখা যায়। ও সবসময় বলতো, ‘দোস্ত তোর মতো হবো’। দু’একটি প্রোগামেও নিয়ে এসেছি। ওর মা-বাবা কখনো বাধা দিত না।
বাবা গাড়ি চালান। মা ঘরেই থাকেন। ছোট বোনটি সেভেনে পড়ে। ও উন্মুক্তে পড়াশুনা করে। এই হলো সংক্ষিপ্ত সংসার। সংসারে টানাপোড়ন লেগেই থাকে। এর পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো বাবার পরকীয়া। সপ্তাহে দু’দিন কি একদিন বাসায় আসেন। বাকি পাঁচদিন কই থাকে, কি করেন তার পরিবারের সবাই পরিষ্কার। মেয়েটির মা জানেও তার স্বামীর পরকীয়ার ঘটনা। কিছু করার নেই বলে চুপ থাকেন। তার একটাই শান্তি সপ্তাহে দু’দিন অন্তত আসে তো! কিছু হলেও ঘরের খাবার জোগাড় করে, ঘর ভাড়া দেয়। আমি কি করবো! কি করার আছে!

মেয়েটির মনে এ এক বড় কষ্ট। দেখা হলেই বলতো ‘দোস্ত’ বাবা তো ভালো হচ্ছেন না কি করবো? পাঁচ মাসের ঘর ভাড়া বাকি। আমাকে একটা চাকরি জোগাড় করে দে তো। তুই তো এস.এস.সি ও পাশ করিস নি, কি চাকরী দিবো? দেখ দোস্ত তোর অনেক পরিচিত লোকজন রয়েছে। কেন জানি না, অবচেতন মনেই খুব কষ্ট লাগতো ওর কথা শুনে। বাবার এরকম অন্যায় সম্পর্কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত বলে জানাতাম। না সেটা ও পারবে না, সম্ভব না। কারণ, মা নিজেই মেনে নিয়েছে।
একটা ছোটখাট চাকরি জোগাড় করে দিয়েছিলাম ওকে। বেশ করছিল। মালিক কর্তৃপক্ষ ওকে খুবই ভালোবাসতেন। এভাবেই চলছিল। মাসে মাত্র পাঁচহাজার টাকা বেতন। তারপরও কম কি! কিন্তু বাবার পরকীয়া নিয়ে দু’দিন পর পর ঘরে যে অশান্তি। তা মেনে নিতে পারছিল না মেয়েটি। প্রায়ই হতাশ হয়ে কান্নাকাটি করত।

একটা প্রেম করত মেয়েটি। আমি জেনে বললাম, ছেলেটি তো ভালো না। তুই কষ্ট পাবি দোস্ত। প্রেম করার দরকারটা কী? পড়াশুনা শেষ কর, চাকরিটা কর। না, কে শুনে কার কথা! মেয়েদের এসব ব্যক্তিগত ব্যাপারে কথা বললে মেয়েরা মেনে নিতে পারে না, ঠিক ও মেনে নিতে পারে নি। কিন্তু না যখন খোঁজ নিয়ে জানলো ছেলেটির বউ-বাচ্চার কথা। তখন আমাকে আবারও জানাল দোস্ত তোর কথাই ঠিক, ও একটা জানোয়ার। সেদিনও পিঠ চাপড়ে বলেছিলাম, জগতটা বড় বিস্ময়কর। আরো বড় হ। আরো বুঝ। জীবন তো মাত্র শুরু। কিন্তু, না ও থেমে থাকে নি। একের পর এক সম্পর্ক।

বাবার বন্ধু মাঝেমধ্যেই ওদের বাসায় যেত। খুবই ভালো সম্পর্ক। ফল-ফলাদি নিয়ে যেত। মেয়েটির বাবাও জানতো এ ঘটনা। কখনো কিছু বলেন নি, কারণ কিছু হলেও সংসারের উপকার হয়। মেয়েটিকে বাবার বন্ধুটি বেশ আদর-যত করতো। মার্কেট করা, সিনেমা দেখানো, বড় বড় রেস্টুরেন্টে নিয়ে খাওয়ানো। বেশ চলছিল।

একদিন ওর অফিসে গিয়ে দেখি ও লোকটি বসা। আমি তো রীতিমতো অবাক! অফিসে কেনো আসবে! ওকে ঈশারা দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করলাম, লোকটিকে বের হয়ে যেত বল। কথামতো করলো বটে তাই। তখনই জানতে চাইলাম ঘটনা কি! তুই কি উনার সাথে প্রেম করিস? সম্পর্ক করিস? বিয়ে করবি? খুব কটাক্ষভাবেই জিজ্ঞেস করলাম।

নারে দোস্ত, কাকু, বাবার বন্ধু। বিয়ে করেছে, সন্তানও আছে, গাড়ি চালান। মা, বাবাও জানে উনার সাথে আমার কাকু-ভাতিজীর সম্পর্ক। আচ্ছা, উনি অফিসে কেনো? দোস্ত, গাড়ি নিয়ে এদিক দিয়ে যাচ্ছিল, তাই ঢুঁ মেরে গেলেন। আমি খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, লোকটিকে আমার ভালো লাগে নি, জোচ্চুর মনে হয়েছে। মতলব ভালো না উনার। তোর সাথে উনার কি শারিরীক সম্পর্ক আছে? জিজ্ঞেস করাতেই রেগেমেগে আগুন। দোস্ত, তোকে ভালোবাসি মানে, তুই যা-তা বলতে পারবি না। আমি বুঝলাম ও নিজেও খুব দুর্বল ওই লোকটির প্রতি।

তারপর থেকে আর কোনোদিন আমার সাথে কোনোকিছু শেয়ার করে নি। একদিন ওর বাসায় গিয়ে দেখি কেউ নেই, লোকটি বসা আর ও বসা। চলে আসি। তারপর এ-ও শুনতে পাই লোকটি আমাকে খুব অপছন্দ করে। মেয়েটি যাতে আমার সাথে না মিশে তারও চেষ্টা করে। ইটস ওকে! যোগাযোগ কমিয়ে দেই, হাই-হ্যালো সম্পর্ক।

কিছুদিন পর হঠাৎই শুনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। কিছু বলি নি, বলার চেষ্টাও করি নি। ফেসবুকে নক করে জানালো, দোস্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে দেখা করতে হবে। আমিও স্বভাবসুলভ মতো সকল রাগ-অভিমান ভুলে দেখা করি। সেদিনই জানি, ওর সেই কাকু ওকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। বিয়ে না করলে ওকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু, কাকুর তো সংসার আছে। বউ-বাচ্চা সবই আছে। কি করবে? ও নিজেও একটু-আধটু দুর্বল। তোতাপাখির মতো বুঝিয়েছিলাম, দেখ দোস্ত বাবার ব্যাপারটা বুঝিস তো! মা কতটা কষ্ট পাই বুঝিসতো! তুই-ও যদি একই কাজ করিস, তাহলে কি হয় ব্যাপারটা?

বউ-বাচ্চা থাকা সত্ত্বেও তোকে বিয়ে করতে চাওয়ার পিছনে যুক্তিটা কি? ওই মেয়েটিকে কোনো কষ্ট দিবি? তুই-ও তো মেয়ে! সেদিন বললো, দোস্ত না বিয়ে করবো না। কিন্তু কাকু যে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতেছে, আমার সব কিছু ছেড়ে দিবে। ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে বললাম, কি ছেড়ে দিবে? দোস্ত, ওই যে ভিডিও, আমার সাথে সম্পর্কের ভিডিও। বাহ্, চমৎকার। তবে, বুঝতেই পারছিস লোকটি তোর কাছে কি চায়? এ পর্যন্তই কথা…

কিছুদিন পর । রাত তখন সাড়ে বারোটা। ঘুম ঘুম চোখ। হঠাৎই মোবাইলটা বেজে উঠলো। হ্যালো, বলতোই ওইপ্রান্ত থেকে মা, আমার মেয়েকে বাঁচাও। ও জানি কেমন হয়ে গেছে, পাগলের মতো করে। কিছু খায় না। এক টানা কথা গুলো বললেন, ওর মা।
কতদিন যাবত, কেনো? মা, খুব কান্নার স্বরে বলতেছিলেন, মা ওকে কেউ তাবিজ করেছে, ওর মাথাটা কেউ নষ্ট করে দিয়েছে। সান্ত¡না দিয়ে বললাম, আন্টি রাখেন, আগামীকাল সকালে দেখা হবে। হ্যাঁ, সত্যিই একেবারে একসপ্তাহের মধ্যেই শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। চোখের নিচে কালি জমা পড়েছে, গা থেকে কেমন একটা গন্ধ বের হচ্ছে। গোসল করে না বলেই হয়তো! আমাকেও চিনছে না, বলছে আপনি কে? বেশ ধমকের স্বরেই বললাম, কি হয়েছে তোর? কি চিন্তা করছিস? কেনো এমন করছিস? থাপড়াইয়া গাল লাল বানাইয়া ফেলবো। না কোনো কথা নেই। ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে দেখছে, আর আমার রাগী চেহারাটা বুঝার চেষ্টা করছে।

মা-বাবা দু’জনেই সেদিন খুব হতাশ। আমি বাধ্য হয়ে ওর মা-বাবাকে জানালামÑ ওর কাকুটা কে চিনেন? ওই লোকটির সাথে আপনাদের কেমন সম্পর্ক? দু’জনেই সমস্বরে বলে উঠল, খুব ভালো, ওদের দু’বোনকে খুব ভালোবাসে। হুম, বুঝতে পারছি বলে থেমে গেলাম। প্রশ্ন করলাম, কতদিন যাবত আসে না উনি? এইতো চার-পাঁচদিন। কেনো মা? না এমনিই…
আস্তে আস্তে মেয়েটি কিছুটা সুস্থ হয়। ডাক্তার বলেই দিয়েছে ও খুব বাজে চিন্তা করে। আর ওকে কেউ মানসিকভাবে প্রেশারে রেখেছে। এগুলো থেকে মুক্ত থাকতে হবে। কিন্তু ও তো নাছোড়বান্দা। মা-বাবা কারো কাছেই ওর কাকু যে বিয়ে করতে চেয়েছে ব্যাপারটি শেয়ার করে নি। কারণ, ও নিজেও দু’টানার রয়েছে। হয়তো, ভেবেছে এত টানাপোড়েনে থাকার চেয়ে উনাকে বিয়ে করে ঘর-সংসার করতে পারবে। উনি তো বেশ আদর-যত ও করে। বেশ টাকা-পয়সাও দেয়। বিয়ে করলে আরো বেশি কিছু করবে।

যাক, বেশ কিছুদিন কোনো খোঁজ রাখি নি। আবারো, ওদের বাসার নম্বর থেকে কল, হ্যালো, বলতেই মা আমার মেয়েটিকে খুঁজে পাচ্ছি না। সকালে তোমার অফিসে যাবার কথা বলে বের হয়েছে এখনও ফেরে নি মা! কি বলেন, আজ তো শুক্রবার, আমার অফিস বন্ধ এবং সারাদিন আমি বাসায়ই ছিলাম, কোথাও বের হই নি।
মা, বেশ দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বললেন, কি বলো মা, মেয়েটির কি হলো? মা, আমার মেয়ে তো রাতে বাসার বাহিরে থাকে না। ওর মোবাইল বন্ধ মা। তৎক্ষণাৎই বললাম, ওর কাকুকে কল দিন আন্টি। না, মা কাকুর মোবাইলও বন্ধ। আচ্ছা, দেখেন ফিরে আসবে….

একদিন যায়, দু’দিন যায়, ফিরে আসার কোনো খবর নেই। একটা কল পর্যন্ত দেই নি। ওদের বাসায় গিয়ে দেখি, মা বিছানায় হেলান দিয়ে আছেন। মেয়ের চিন্তায় একেবারে বাজে অবস্থা। আমাকে দেখার সাথে সাথেই হাউমাউ করে কান্নাকাটি শুরু করলেন। মা, তুমি তো ওর ভালো বান্ধবী, তুমি কিছু জানো না, মা তুমি মেয়েটিকে খোঁজে বের কর। মা, ওর কাকু ওকে আটকাইয়া রাখছে, মা আমার সাথে কথা পর্যন্ত বলতে দিচ্ছে না। একভাবে বলেই যাচ্ছিলেন। চোখের জল ধরে রাখার মতো শক্তি আমারও ছিল না দু’চোখ দিয়ে অঝোরে জল ঝরছিল। ছোট বোনটিও কাঁদছিল। ঠিক, তখনই বুঝলাম আমার ধারণাই ঠিক ওর কাকুর সাথেই ওর চলে যাওয়া।

হ্যাঁ, ওই লোকটি জানিয়ে দিয়েছে আপনার মেয়ে আমার সাথে আছে, আমরা বিয়ে করেছি। আপনার মেয়ে আপনাদের সাথে যোগাযোগ রাখবে না, কথাও বলবে না। মা নাকি, খুব কাকুতিমিনতি করেছে একবার কথা বলার জন্য। না, স্পষ্টভাবে বলেছে কথা বলবে না আপনার মেয়ে। আমরা কোনোদিন আসলে দেখা হবে, কথা হবে।

মা! যে শব্দটি পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর, মাধুর্যময়। মা কি এসবে ভুলে? মায়ের মন কি এসবে সবুর নেয়। মা, কোনোভাবেই মানতে চাচ্ছে না তার মেয়ে ইচ্ছেকৃতভাবে এ কাজ করেছে। এখনও পর্যন্ত মনে করছে তার মেয়েকে জোর করে আটকে রাখা হয়েছে। থানায় মামলা করারও যথেষ্ট সাহস তাদের নেই। কেননা, মান-সম্মানের ভয়, সমাজের ভয়, পরিবারের অন্য লোকদের ছি-ছি ধ্বনি শোনার ভয়। মা-বাবা দু’জনেই পাগলের মতো খুঁজছে। এটা ছিল ঘটনার বিবরণ।

এইতো, পনের দিন আগে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাটি। একেবারে সত্য ঘটনা। এখনও মেয়েটিকে মা-বাবা কাছে পায় নি।
কেনো, কি কারণে এ ঘটনাটি টানলাম। কেনোই বা এরকম ঘটে থাকে? কার দোষ? কে নিবে এর দায়? মেয়েটি না ওই জোচ্চুর ছেলেটির (কাকু)? আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এর দায় যেমন ওদের দুজনের। ঠিক তেমনি পরিবারের, সমাজের। এটা চরম সামাজিক অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ। মেয়েটি নানান টানাপোড়েনে পড়ে, নিজের কোনো দিশা না খুঁজে পেয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যদি, ওকে জোর করে, বাধ্য করা হয় সেটাও এই সমাজেরই শিক্ষা, পরিবারেরই শিক্ষা। বাবা যদি পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল হতো, তবে এতটা হতাশায় মেয়েটির কখনো পড়তে হতো না। হয়তো, এরকম আত্মঘাতী সিদ্ধান্তও নিতে হতো না। আর ছেলেটি এই সমাজের পুরুষ। পুরুষতান্ত্রিক, ভোগবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব ওর মধ্যে প্রবলভাবে পড়েছে। বউ, বাচ্চা থাকা সত্ত্বেও অন্য একটি মেয়ের প্রতি আকৃষ্টতা বিকৃত মস্তিষ্কের কাজ। ভোগবাদী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।

এ ধরনের, আত্মঘাতী বর্বর সিদ্ধান্তগুলো থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে, ব্যক্তির ভূমিকাও জরুরী। সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। চিন্তা, চেতনায় পরিবর্তন আনতে হবে। পরিবারগুলোর সন্তানের প্রতি যথেষ্ট দায়িত্বশীল হতে হবে। একইসাথে, মেয়েগুলোর চিন্তার মান পরিবর্তন করতে হবে। চিন্তার দৈন্যতা কাটিয়ে উঠে মানুষ হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে, রাজনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। এই পৃথিবীটা মানুষের পৃথিবী হোক। যেখানে থাকবে না কোনো বৈষম্য, খুন, ধর্ষণ। আমরা হাতে হাত মিলিয়ে সে দিকেই অগ্রসর হবো এই প্রত্যাশা করছি। জয় হোক মানবতার।

লেখক: সম্পাদক, আমার কলম ।

Comments

comments

Check Also

‘পুরুষতন্ত্র’কে জায়েজ করার কিছু নেই ।। লাবণী মন্ডল

লাবণী মন্ডলঃ  হত দরিদ্র, পশ্চাৎপদ, কুসংস্কারাবদ্ধ বাংলাদেশের নারী সমাজ দারিদ্র্যের কশাঘাতেতো বটেই উপরন্তু সামাজিক-পারিবারিক শোষণ-নির্যাতনের …