Home / অনন্যা / নারী ।। ইমরান হোসেন মুন্না

নারী ।। ইমরান হোসেন মুন্না

সারা দিন মদ গাজা আর পার্টি শেষ করে বাড়ি ফেরে সুবোধ পুরুষটার পর-পরই শুরু হয় একটা নারীর প্রতি অবিচার আর অত্যাচারের লীলা। সে অপয়া নারীর আর সয় না এতো জ্বালা আর এতো অমানবিক অচরন একটা নারীর প্রতি। তার বুকফাটা আর্তনাদ এখন কাপুরুষ স্বামীটা আর বুঝে না। সে নারী চায় নিজের মতে করে আর একটি বার বাঁচতে এ সংসারের জ্বালা থেকে রেহাই পেতে। প্রবল ইচ্ছে তার শুকনের মতো তার স্বামীকে ছেড়ে দিতে। সে চায় জ্বলে উঠতে সমাজের একজন হয়ে। দেখাতে চায় নারীরা পারে পুরুষের মতো সব কাজ করতে।

সে চায় সমাজে একটা কিছু করে দেখাতে। প্রমাণ করতে চায় নারীরা সমাজের জন্য বোঝা নয় বরং নারী প্রমাণ করতে চায় সমাজের জন্য একটা আশীর্বাদ। সে এখন চায় সমাজে প্রতিবাদ করতে আর পাশে থাকতে চায় অসহায় নির্যাতিত পুরুষ শাশ্বতী নারীর পাশে দাড়াতে। ধরিয়ে দিতে চাই হাতে একটা অস্ত্র যে অস্ত্র যেটা চলবে তার নিদিষ্ট গতিতে আর পৌঁচাবে তার গন্তব্যে। নারী চায় সমাজের কুসংস্কার ভাঙ্গতে দেয়াল টপকিয়ে ওঠে ছিনিয়ে নিতে চাই তার স্বাধীনতা। সে আর কেউ নয়, সে হলো নারী আমাদের সমাজে পড়ে থাকা সকলের বোঝা নারী! নির্যাতিত নারী।

সে এখন চায় না পুরুষের উপর নির্ভর হয়ে সারাটা জীবন কাটাতে। তার এখন মেধা শ্রম সব হয়েছে সে এখন নিজের উপর আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। তার অস্ত্র এখন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে সমাজের প্রত্যেকটি সুবিধাহীন নারীর জন্য। সে এখন শিখে নিয়েছে কেমন করে আয়ত্তে আনতে হয় স্বামীকে। অশিক্ষিত নারী এখন শিখেছে কি ভাবে লড়াই করে সমাজে বেঁচে থাকতে হয় কি ভাবে বেঁচে থাকতে হয় একটা পরিবারে প্রতিটি নারীর জীবন হোক সুখ সমৃদ্ধতে ভরপুর। নারী হোক গাড়ির চাকার মতো ঘুর্ণীয়মান। নারী জ্বলে উঠুক তার নিজস্ব গতিতে যে কেউ আর তাকে থামাতে পারবে না। জয় জয় হোক সকল নারীর।

লেখক: তরুণ লেখক।

Comments

comments

Check Also

‘বিবাহের নামে নির্যাতনের বৈধতা আর নয় ‘ ।।সুদর্শনা চাকমা

সুদর্শনা চাকমা ঃ বিবাহ বন্ধনটা এত মঙ্গলজনক নয়। অথবা এত সুখকরও নয়। অথবা বিশেষ কোন সদুদ্দ্যেশ্যেও …