সুত্রপাত / রাজ্যের যুক্তি-তর্ক / মিঠুন চাকমা সহ সকল হত্যার বিচার চায় জনতা
Prosenjit

মিঠুন চাকমা সহ সকল হত্যার বিচার চায় জনতা

প্রসেনজীৎ কুমার রায়: নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত পাহাড়ীদের সংগঠন ইউপিডিএফ এর অন্যতম শীর্ষ নেতা মিঠুন চাকমাকে। বুধবার আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে খাগড়াছড়ি শহরের অপর্ণা চৌধুরী পাড়াস্থ নিজ বাড়িতে গেলে আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে অপহরণ করে স্লুইস গেইট এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সন্ত্রাসীরা তাকে মাথায় ও পেটে গুলি করে ফেলে রেখে যায়। পরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইউপিডিএফ এর অন্যতম শীর্ষ ‘থিংকট্যাংক’ হিসেবে পরিচিত মিঠুন চাকমা মেধাবীস ছাত্র নেতা হিসেবেও সারাদেশে পরিচিত ছিলেন। তিনি পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বদরুদ্দিন উমরের নেতৃত্বাধীন গনতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটের রাজনীতির সাথেও জড়িত ছিলেন।

গত ১৫ ডিসেম্বর ইউপিডিএফ থেকে বহিষ্কৃত ও বেরিয়ে যাওয়া নেতাকর্মীদের একটি অংশ তপনজ্যোতি চাকমা বর্মার নেতৃত্বে পৃথক ইউপিডিএফ(গনতান্ত্রিক) নামের আরেকটি আঞ্চলিক দল গঠন করে। সেই থেকে নতুন এই সংগঠনটির হামলায় তিনজন ইউপিডিএফ নেতা নিহত হলো, যাদের দুইজন রাঙামাটিতে এবং মিঠুন চাকমা খাগড়াছড়িতে। এখন কথা হচ্ছে আদিবাসী তাদের নিজেদের বাদী নিযে এখন পর্য়ন্ত পাহারে যারা যারা অন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন কেও বেচে নেই অথবা কেও নিখোজ কারন কি? এর সমাধাণ কোথায়? অন্দোলন করা প্রতিটি মানুষের গণতান্ত্রিক অধীকার সেটা বাংলাদেশের মানুষ পাচ্ছে না। বিশেষ করে পাহারের মানুষেরা তারা কোন কথা বলতে পারছে না। প্রতিদিন সেনা কর্মচারীদের হাতে ধষর্ণ গুম হত্যা হচ্ছে এবংকি বাঙ্গালিদের হাতেও নির্যতনের শিকার হচ্ছে। এর সমাধান একটাই সেটা হল পাহার এবং সমতলে ছাত্র গণঅন্দোলন। সেই সাথে বলতে চাই মিঠুন চাকমা সহ সকল হত্যার বিচার চাই এবং যাদের গুম করা হয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হক।

লেখক: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, রাজবাড়ী জেলা সংসদ। 

Comments

comments

error: Content is protected !!